অপরূপা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অপরূপা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

অপরূপা পর্ব ৪(শেষ)

অপরূপা 

পর্ব--৪

সাহিত্য ডাইরি 




--মা'তা'ল অবস্থায় আপনার সন্তান ওই যে রহিমের দোকানে বাজে কথা বলতেছে। 


পরি : কি বলেন আপনি । কাব‍্য কেনো মা'তা'র অবস্থায় থাকবে শুনি! 


--সেটা আপনি নিজেই গিয়ে দেখুন না? আমি মিথ্যা বলছি না সত্যি বলছি। 


--তো লোকটির কথা মতো পরি ও কাব‍্যের মা সেখানে যায়। গিয়েই দেখতে পায়যে সত্যি তো কাব‍্য নেশা করে এখানে মাতলামি করতেছে।


--এই কাব‍্য তুই কি করতেছিস এখানে হ‍্যা। আর এই সব কী? ( কাব‍্যের মা ) 


কাব‍্য : এই কে তুমি হ‍্যা। আমার নাম জানো কেমনে। 


--কে আমি মানে আমি তোর মা! 


কাব‍্য : কোন মা কিসের মা। আমার কোন মা নেই বুজছো? 


--কথাটি বলার সাথ সাথেই কাব‍্যের মা কশে একটি থাপ্পড় দেয়। 


--ঠাসসস ঠাসসস! বেয়াদব ছেলে কোথাকার এই তোর কাজ। এতোটা নেশা করেছিস নিজের মা কে পযর্ন্ত চিনতে পারছিস না। ছি... ছি...! ( মা )


কাব‍্য : ওহ তুমি আমার মা। তো তোমার পাশে ওই মেয়েটা কে? ( পরির দিকে উদ্দেশ্য করে ) 


মা : কে মানে! তুই পরিকে ও চিনতে পারতেছিস না। 


কাব‍্য : কোন পরি মা। যেই পরি রাতে আকাশে উরে বেরায়? 


মা : থাক চিনতে হবে না তোকে! 


--কাব‍্যের মুখে এমন কথা শুনে সেই দোকানে সামনে মানুষ গুলা হাসতে থাকে? একজন তো বলেই উঠে! আপনার সন্তান নেশা করে এটা জানতাম না। বাবা কতো ভালো ছিলো তার সন্তান নেশা খোর? এই কথা শুনে কাব‍্যের মায়ের মনটা অনেক খারাপ হয়ে যায়। 


--এর পরে কাব‍্যকে অনেক বুজিয়ে? বাসায় নিয়ে আসে ওর মা ও পরি। বাসায় এসেই কাব‍্যের মা বলতেছে। 


মা : ছি.. ছি.. কাব‍্য তোকে নিয়ে আমি কতো স্বপ্ন দেখেছি। মানুষের সামনে তোকে নিয়ে কতো প্রসংসা করি আজ সব কিছু ধুলোয় মিশে দিলা। 


কাব‍্য : এই এক দম চুপ করো। এতো কথা আমি শুনতে চাইনা। 


পরি : মা থাক আজ কিছু বলিও না। ওকে আজ এই সব বলে কিচ্ছুটি হবে না। কারন ও নেশার ঘোরে আছে।  


--আমি ভাবতেই পারছি না পরি কাব‍্য এমন একটি কাজ ঘটিয়ে ফেলবে। ( কাব‍্যের মা )


পরি : হুমম মা বুজতে পারছি! 


--জানো আমার ছেলেটা কখনো নেশা করেনি। আজ হঠাৎ যে ওর কি হলো বুজলামি না? ( কাব‍্যের মা )


পরি : ঘুরতে গিয়ে হয়তো বন্ধুদের পাল্লায় পরে এমন টা করেছে মা? 


--কিন্তু ওর বন্ধু গুলা তো এমন না। ( কাব‍্যের মা ) 


--এই কথা শুনে পরি মনে মনে বলতে থাকে। আপনার সন্তান কোন বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়েছিলো সেটা আমি ভালো জানি। 


পরি : আচ্ছা মা কাব‍্যকে রুমে নিয়ে যাচ্ছি ওর ঘুমের প্রয়োজন আছে। 


--ঠিক আছে মা যাও রুম? ( কাব‍্যর মা ) 


--তো এর পরে পরি কাব‍্যকে রুমে নিয়ে আসে। 


পরি : ছি... কাব‍্য তোমার কাছে এমনটা আশা করিনাই। 


কাব‍্য : তো কি হয়েছে শুনি! 


পরি : তুমি নেশা ও করো। ভাবতেই ঘৃনা লাগতেছে আমার? 


কাব‍্য : হুম করি আরো করবো। তাতে তোর কি.? 


পরি : আমার কিছু না ঘুমাও। এখন তুমি ! 


--এর পরে কাব‍্যকে বিছানায় শুইয়ে পরি নিজের পোশাক গুলা চেন্স করতে ওয়াশ রুমে আসে।  


--তো ওয়াশ রুমে এসে পোশাক গুলা চেন্স করে? রাতে যে পোশাক পরে ঘুমায় সেই পোশাকটি পরতেছে । ঠিক সেই সময় কারোর হাতের ছোঁয়া পায় পরি। আর সাথে সাথেই পিছনে ঘুরে তাকায়।  


পরি : কাব‍্য তুমি! ঘুমাওনি! আর এখানে কি করতেছো। 


কাব‍্য : না ঘুমাইনি! তোর কাছে এসেছি।


পরি : আমার কাছে এসেছো মানে?


কাব‍্য: কেনো এসেছি বুজতে পারতেছিস না। 


পরি : না! 


কাব‍্য : বুজতে না পারিশ তো চুপ চাপ থাক! আমি কি করতেছি সেটা উপভোগ কর। 


পরি : কি করবা তুমি হ‍্যা। 


কাব‍্য : চুপ থাকতে বলছি না তোকে? 


--তো কাব‍্যের এমন হুমকিতে পরি চুপ হয়ে যায়। এই দিকে পরি চুপ হওয়ার সাথে সাথেই কাব‍্য তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করতে থাকে।  


পরি : এই কাব‍্য কি করতেছো এই সব। তুমি আমার শরীরে স্পর্শ করতেছো কেনো। 


কাব‍্য : ভালো লাগতেছে তাই করতেছি! 


পরি : না তুমি আমার শরীর স্পর্শ করতে পারো না?


( সবাই ভাবতে পারেন কাব‍্য তো পরির জামাই তবে কাব‍্য এমন করতেছে পরি? কেনো বাধা দিচ্ছে তাই তো। তবে শুনুন, পরি জানে যে কাব‍্য তাকে ভালোবাসে না বরং অন্য একটি মেয়েকে ভালোবাসে। তাতেই আবার ডিভোর্সের কথা উঠেছে। এই জন্যে পরি চাচ্ছে কাব‍্য যেনো খারাপ কিছু না করে ) 


কাব‍্য : তুই আর একটি কথা বললে খুব খারাপ হবে। 


--এই কথাটি বলেই কাব‍্য পরিকে কোলে তুলে নিয়ে বাছানায় আসে। এসেই পরির শরীর পোশাক গুলা এক এক করে সব খুলতে থাকে। কাব‍্যের এমন পাগলামি দেখে পরি নিজেকে রক্ষা করার জন্যে বিপন্ন হয়ে চেষ্টা করে। কিন্তু কাব‍্যের কাছে কোন ভাবেই যেনো রক্ষা পাওয়া আজ সম্ভব না। পরীও জানে আজ আর রক্ষা নেই। কারন কাব‍্য নেশার ঘোরে আছে।ও নিজেই জানে না কি করতেছে। তবুও শেষ বারের মতো পরি বলে উঠে। 


পরি : এই কাব‍্য প্লিজ আমাকে ছেরে দাও। আমার সাথে এমন কজ করিও না। তোমার দুটি পায়ে পরি আমি । তুমি তো আমাকে ডিভোর্স দিবা বলেছো। তবুও কেনো আমাকে নষ্ট করতেছো। কি দোশ আমার?


কাব‍্য : নিশ্চুপ! 


--কাব‍্যের সাথে উঠে না পারায় পরি শেষ মেশ নিজেকে বিলিয়ে দেয় কাব‍্যের কাছে। পরি মনে মনে ভাবতে থাকে। বাধা দিয়ে কি হবে আমার এই সব কিছু তো ওরেই। আর যদি কোন ভাবে একটী বাচ্ছা হয় তবে কখনো সংসার ভাঙ্গা সম্ভব না। এই সব হাজার টা চিন্তা ভাবনা করে নিজেকে শেষ পযর্ন্ত কাব‍্যের হাতেই তুলে দেয়। 


--এই দিকে কাব‍্য ও নেশার অবস্থায় থাকার কারনে কিচ্ছু বুজতেছে না। ও কি করতেছে না করতেছে। হয়ত সঙ্গানে থাকলে এমনটি করতো না।  


--তো এই ভেবেই সেই রাতটি কেটে যায়। পরের দিন পরি ঘুম থেকে উঠার আগেই কাব‍্য ঘুম থেকে উঠে পরে। 


--উঠেই উপলব্দি করে শরীরে কোন পোশাক নেই। ঠিক তখন আবার লক্ষ করে তার পাশেই পরি ও শুয়ে আছে। ওর শরীরে ও কোন পোশাক নেই। এটা দেখেই চিৎকার শুরু করে দেয়। 


কাব‍্য : এইইই এইইই তুই আমার খাটে কি করতেছিস হ‍্যা। তুই থাকবি সোপায় কিন্তু তুই আমার এখানে কি করতেছিস। 


--কাব‍্যের এমন চিৎকারে পরির ঘুম ভেঙ্গে যায়। 


পরি : এই কি হয়েছে এমন চিৎকার করতেছো কেনো শুনি?  


কাব‍্য : তুই আমার খাটে কি করতেছিস। কেনো ছেলে দেখলে শরীর ঠিক থাকে না নাকি। আর তোর শরীরে পোশাক কোই।  


পরি : পোষাক কোথায় সেটা তুমি ভালো জানো আমার থেক। 


কাব‍্য : আমি জানি মানে। 


পরি : হুম তুমি ভালো জানো আমার থেকে। 


কাব‍্য : ছি.... তোকে ভালো ভাবছিলাম কিন্তু তুই দেখি অনেক যঘ‍র্ন। যে নিজের পোষাক খুলেছে আমার সাথে এসে শুইছিস। সেটা না হয় বুজলাম কিন্তু তুই আমার ও পোষাক খুলেছিস। 


পরি : এ এক দম চুপ করো । একটা বাজে কথা বলবে না বলে দিলাম। কাল রাতে নেশা করে কি করছো সেটা ভূলে গেছো। 


কাব‍্য : মানে! 


পরি : এতো মানের উত্তর দিতে পারবো। উত্তর পেতে হলে তোমার মায়ের কাছে গিয়ে নাও। 


কাব‍্য : সেটা তো নিবোই। তার আগে তুই বল এমন কাজ করার সাহস কোথায় পেলি। 


পরি : কিসের সাহস। 


কাব‍্য : তুই আমার কাছে শুইছিস কেনো বল। 


পরি : ভালো লাগছে তাই শুইছি। কেনো সমস্যা আছে। 


কাব‍্য : তুই যদি আর কখনো এমন ভূল করিশ তো সেই দিনেই তোর শেষ দিন হবে এই বাসায় থাকার।


পরি : দেখা যাবে! 


--এর পরে কাব‍্য ওয়াশ রুমে চলে যায়। ফ্রেশ হওয়ার জন‍্যে? প্রায় ৬/৭ মিনিট পরে ওয়াশ রুমে থেকে বের হয়ে এসেই দেখে এখনো পরি শুয়ে আছে। 


কাব‍্য : এ ওঠ আমার বিছানা থেকে। 


পরি : রাতে ত ঠিকেই কোলে করে নিয়ে আইছো বিছানায়। এখন শুয়ে আছি তো সমস্যা হয়েছে? 


কাব‍্য : এ এক দম বাজে কথা বন্ধ করবি। 


পরি : আমি বাজে কথা বলিনা। নিজেই বলেন! 


কাব‍্য : আমার রুচি এতোটা নিছে নামেনাই যে তোর মতো মেয়েকে আমি কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে আসবো। 


পরি : সেটা জানি! নেশা খোরেরা কি করতে পারে আর না পারে।


--এই কথাটি শুনেই কাব‍্য একটু চুপ হয়ে যায়। 


কাব‍্য : নিশ্চুপ? 


পরি : নিশ্চুপ কেনো হ‍্যা। নেশা যখন করো তখন মনে থাকে না । এই নেশার প্রভাব পরে কি হতে পারে। দিছো ত কাল রাতে তোমার বাবা মায়ের মান সন্মান মাঠিতে মিশে! 


কাব‍্য : কি হয়েছে হ‍্যা সব খুলে বল। 


পরি : কাল রাতে নেশা করে রহিমের দোকানে মাতলামি করছো মনে আছে কি। 


কাব‍্য : হাহহা হাহহা আমি মাতলামি করছি। 


পরি : হুম। 


কাব‍্য : বিশ্বাস হয়না আমার । 


পরি : ত তোমার মায়ের কাছে গিয়ে শুনো। কি করছো আর না করছো। 


--কথাটি শুনেই কাব‍্য তার মায়ের রুমে চলে আসে।এসেই দেখে মা আর _______


--তোমার মৃ'ত্যু'র পরে ভেবেছিলাম কাব‍্য কে আমি মানুষের মতো মানুষ করবো কিন্তু সেটা হলো না! ( কাব‍্যের মা )


--কব‍্য রুমে এসেই দেখে যে বাবা ছবি দেখে দেখে এই সব কথা বলতেছে? এটা দেখে কাব‍্যের সত্যি খারাপ লাগে অনেক। 


কাব‍্য : মা! আমার ভূল হয়েছে আমাকে মাপ করে দাও প্লিজ? আসলে কাল কিছু বন্ধু ভূল করেই আমাকে এই সব খাওয়াইছে। 


--মা যেন নিশ্চুপ হয়ে আছে?


কাব‍্য : মা আমার ভূল হয়েছে আমাকে মাপ করে দাও। আর কখনো আমি এমন কাজ করবো না। 


--এই কথা শুনে কাব‍্যের মা বলে উঠে। 


--হুম তোকে মাপ করতে পারি। কিন্তু তার আগে কথা দিতে হবে তুই পরিকে নিজের বউ হিসেবে মানবি। ( মা )


কাব‍্য : মা বিশ্বাস করো ওকে আমি পতি........? (কথাটি শেষ হতে না হতেই মা বলে উঠে)


--শোন বাবা মানুষের মতো মানুষ অনেক থাকে। ঠিক তেমনি হয়তো দেখতে পরি ও। তাই বলে কি তুই এমন সাস্তি দিবি মেয়েটাকে। ( মা ) 


কাব‍্য : আচ্ছা আমি খোজ নিয়ে দেখি পরি সেই মেয়ে নাকি অন্য কেউ আছে এর পিছনে?


--যখন সিদ্ধান্ত নিবি তখন তোকে মাপ করবো আমি? তার আগে না ( মা )


--এই কথাটি শুনে আবার কাব‍্য সেই পতি"তাল'য়ে চলে যায় সেই নারীর খোজে। গিয়ে তন্ন তন্ন করে খুজতে থাকে। অবশেষে যখন খুজে পায়না তখন কাব‍্য মন খারাপ কে একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছে আর চার দিকে তাকাচ্ছে। ঠিক সেই সময় কাব‍্য দেখে ওই মহিলাকে । যে কিনা একটি রিশকায় করে যাচ্ছে। এটা দেখেই কাব‍্য চা ফেলে দিকে তার দিকে ছুটতে থাকে। প্রায় ৪ মিনিট পরে সেই রিশকাটিকে দৌরে ধরে ফলে। 


কাব‍্য : এই মামা রিশকা দার করাও! 


--কাব‍্যের কথা মতো রিশকাটি ও দার করায়। আর সাথে সাথে মহিলাটি বলে উঠে?


--এই আপনি এমন করে রিশকার সামনে আসলেন কেনো। ( মহিলাটি )


কাব‍্য : আমাকে চিনতে পারছেন। আপনি সেই মহিলা না পতি____( কথাটি শেষ হতে না হতে )


--হ‍্যা আমি সেই মহিলি! কিন্তু আমি এখন এই সব কাজ করি না। আমার বিয়ে হয়েছে। 


কাব‍্য : কোথায় বিয়ে হয়েছে।


--হয়েছে কোন এক খানে। কিন্তু এই সব আপনি জানতে চাচ্ছেন কেনো? 


--এর পরে কাব‍্য সব কথা খুলে বলে? আর এটা শুনে মহিলাটি হাসতে থাকে। 


--হাহহা হাহহা আহা হা এতো কিছু হয়ে গিয়েছে? 


কাব‍্য : হুম প্লিজ এখন আমার সাথে বাসায় চলো আমাকে একটু সময় দাও। কারন সবাই আমার বউকে ভূল বুজতেছে। 


--ঠিক আছে চলো? 


--এবার কাব‍্য মি. হাসিব - Mr Hasib কে ও ফোন দিয়ে ডাক দেয়। আবার নদি কে ও ডাক দেয়। তারা দুজনেই যেনো বাসায় চলে আসে। 


--এই দিকে এই সব কথা বলতে বলতে কাব‍্য এবং মহিলাটি দুজনেই বাসায় চলে আসে। 


কাব‍্য : মা ও মা বাহিরে চলে আসো তো। দেখো কাকে নিয়ে আইছি। 


--তো কাব‍্যের ডাক শুনে ওর মা বাহিরে আসে। 


--পরিকে নিয়ে কোথায় গিয়েছিলি? আমি ত একটু আগেই পরিকে রুমে দেখলাম? ( মা ) 


কাব‍্য : এটা পরি না। এটা সেই মহিলা যার কথা বলেছি তোমাকে? 


--এটা শুনার পরে তো কাব‍্যের মা বেহুশ! কারন চেহারাই এতো মিল কেমনে। 


--কি এটা পরি না? (মা ) 


কাব‍্য : না! 


--ঠিক তখনি পরিও বাহিরে চলে আসে। এসেই তো নিজে ও অবাক কারন এটা আবার কে? 


কাব‍্য : এই যে পরি দেখো তো চিনতে পারো কি না? 


পরি : আরে আমার মতো দেখতে ওনি। এই সব কি। 


কাব‍্য : বলেছিলাম না তোমার মতোই দেখতে হুবহু একজন আছে।


পরি : ও তার মানে ওই জায়গাই ওনি কাজ করেন। 


কব‍্য : করতো এখন করে না। 


--ঠিক এই টাইমে হাসিব ও নদি দুজনেই চলে আসে। 


--নদি বাড়ির ভিতরে এসেই দেখে যে, দুইটা পরি দারিয়ে আছে।


নদি : কাব‍্য এখানে দুইজন দেখতেই তো একেই রকম। পরিরা কি আপন বোন দুজনে? 


কাব‍্য : ওয়েট সব বলবো। তার আগে হাসিব তুই বল।এখানে কি বুজতেছিস। 


হাসিব : কি আর বুজবো দুইজন দেখতে একেই রকম। 


কাব‍্য : একজ হলো আমার বউ পরি! আরেকজন হলো সেই পতি'তা'ল'য়ের মহিলাটি। 


হাসিব : ওহ সেটাই তো দেখতে হুবহু একেই রকম। বুজাই যাচ্ছে না। 


--এই দিকে কাব‍্যের মুখে বউ কথা শুনে নদি হতবাক হয়ে যায়। 


নদি : তোমার বউ মানে। 


কাব‍্য : হুম পরি আমার বউ হয়? 


নদি : কেমনে কি হ‍্যা ।


কাব‍্য : শুন তবে কাহিনী ....... ( এটা বলে কাব‍্য সব কিছু বলতে থাকে নদি কে প্রথম থেকে শুরু করে শেষ পযর্ন্ত ) এই সব শুনে নদি কি বলবে সেটা বলার ভাষা খুজে পায়না।


কাব‍্য : আমাকে মাপ করে দিও নদি। জানি তুমি আমাকে ভালোবাসো কিন্তু আমার মায়ের কথা কখন অমান্য করতে পারবো না? 


নদি : ওহ ঠিক আছে। 

( এই কথাটি বলেই নদি কান্না করতে করতে বাড়ি থেকে দৌরে চলে যায় ) 


--অন‍্যদিকে হাসিব ও নিজের ভূলটা বুজতে পেরে সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে চলে যায়? 


কাব‍্য : মা আমাকে এখন তো মাপ করে দাও। 


--এমন সময় সেই মহিলাটি বলে উঠে?


--আন্টি মাপ করে দেন আপনার সন্তান কে সে অনেক ভালো ? ( আর হ‍্যা আমি আসি এখন আমার স্বামী ফোন দিয়েছিলো )


কাব‍্য : হুম ঠিক আছে। 


পরি : মা মাপ করে দাও তোমার সন্তান কে। ও ভূলটা বুজতে পারছে। 


কাব‍্য : দাওনা মাপ করে মা? 


--ঠিক আছে মাপ করবো! কিন্তু আমি এই বছরের নাতি পুতির মুখ যেনো দেখতে পাই। ( মা ) 


কাব‍্য : হুম চেষ্টা করমু? 


--হুম যা মাপ করে দিয়েছি। এখন পরির কাছে মা চা তুই। ( মা ) 


কাব‍্য : পরি আমাকে মাপ করে দাও প্লিজ?


পরি : মাপ করবো আমার ও শর্ত আছে কিছু? 


কাব‍্য : যেমন?


পরি : প্রতি শুক্রবার ঘুরতে নিয়ে যাইতে হবে। আবার আমাকে আর মাকে নিয়ে রেষ্টুরেন্টে খাইতে যাইতে হবে। 


কাব‍্য : হুম আমি রাজি?


পরি : হুম মাপ করে দিয়েছি। 


কাব‍্য : বাবা রে কি চাপ! বউ আর মায়ের? 


--এই কথাটি শুনেই সবাই হাসতে থাকে??? 


"আর এখানেই এই গল্পটি শেষ হয়। সবাই ভাবতেছেন এতো ফাস্ট কেনো শেষ করলাম আসলে এর সিজন টু আসবে কিছুদিন পরে। জানি শেষ টা ভালো হয়নি? কিন্তু সিজন টু আসলেই সব বুজতে পারবেন। এখন শেষ কারার কিছু কারন আছে। 

আল্লাহ্ হাফেজ✅



অপরূপা পর্ব--৩ সাহিত্য ডাইরি

অপরূপা

পর্ব--৩

সাহিত্য ডাইরি 

 

--এই যে, I love you? আমি আপনাকে প্রথম দেখাতেই প্রেম পরে গেছি। তাই প্রপোজ করলাম! 

--পরি কলেজে ডুকা মাত্রই যে এমন কিছু ঘটবে কাব‍্য ভাবতেই পারেনি।

পরি : সরি আপনি তো আপনাকে চিনলাম না। আর হঠাৎ করে প্রপোজ করার মানেটাই বা কি। 

--আপনি নতুন এই কলেজে তাই না? 

পরি : হু নতুন। কিন্তু কেনো! 

--আসলে আপনাকে দেখেই আমার এতোটা পছন্দ হয়েছে যে আর একটু ও লেট করতে পারলাম না। তাই সোজা এসে প্রপোজ করলাম। 

পরি : ওহ ভালো !

--এখন বলেন একসেপ্ট করবেন কিনা। 

পরি : সরি! 

--মানে আমি তো আপনাকে ভালোবাসি পছন্দ করি। এখন আপনার বলার পালা। 

পরি : কি বলবো আমি। 

--আমাকে ভালোবাসেন কি না সেটা কথা। 

পরি : থাপ্পড় চিনেন থাপ্পড় । 

--থাপ্পর দিবেন মানে। এতো বড় সাহস আপনার আমাকে থাপ্পড় দিবেন___.?

--কথাটি শেষ হতে না হতেই পরি কশে একটি থাপ্পড় দিয়ে দেয়। 

পরি : ঠাসসসস! ঠাসসস! এখন ভালো লাগতেছে। নাকি আর ২ টা দিবো। 

--পরির এমন ব‍্যবহার দেখে পুরা কলেজ তো অবাক। কারন প্রথম দিন এসেই থাপ্পড় না জানি আরো কতো কিছু করবে। 

--বন্ধু দেখছোস কি সাহস মা**লটার দিলো থাপ্পড় বসে প্রপোজ করাতে? ( কাব‍্যের বন্ধু ) 

কাব‍্য : আরে বাদ দে মাম এই সব। 

--বাবা সয়তানের মুখে দেখি রাম যাম? ( বন্ধু )

কাব‍্য : এই সালা আমি সয়তান। আমি ভদ্রো ছেলে বুজেছিস। 

--সেটা এই প্রথম দেখলাম ভাই আমি তুই ভদ্রো। কিন্তু কেনো যে আছিস সেটা বুজলাম না। তবে আমি নিশ্চিত তুই কিছু একটা বেজাল পাকাইছোস? ( বন্ধু ) 

কাব‍্য : আর তেমন কিছু না। 

--ভাই মেয়েটা তো আমাদের দিকে আসতেছেরে। মনে হয় তোকে পছন্দ করছে। ( বন্ধু ) 

--এই দিকে আসা দেখে কাব‍্য একটু ভয় পায়। কারন যদি কিছু উল্টা পাল্টা বলে এখানে এসে । তবে মান সন্মান সব শেষ? 

কাব‍্য : আরে চুপ থাকবি তুই। 

--এরেই মধ‍্যে পরি এসে জিঙ্গেস করে। 

পরি : আচ্ছা আমাদের ক্লাস রুম কোনটা ভাইয়া। 

(কাব‍্যকে উদ্দেশ্য করে বলে ) 

--এই কথা শুনে কাব‍্য একটু নরে চরে উঠে। কারন পরি সোজা ভাইয়া বলে ডাকলো? 

কাব‍্য : উপরের তলায় গিয়ে ডান দিকে যেই রুমটা ওটাই আমাদের রুম। 

পরি : ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে । 

কাব‍্য : হুম ঠিক আছে। 

পরি : আমি এই কলেজে নতুন তো তাই কিছু চিনিনা। আমার নাম পরি আপনার নাম কি ভাইয়া। 

--কাব‍্য ভাবতেছে এই পরি আবার কি নাটক শুরু করলো রে বাবা?

কাব‍্য : আমার নাম কাব‍্য? 

পরি : বা অনেক সুন্দর নাম। আচ্ছা ভাইয়া আসি পরে কথা হবে কোন এক সময় । 

কাব‍্য : আচ্ছা!

--যখনি পরি একটু দুরে সরে গিয়েছে। ঠিক সেই সময় কাব‍্যের বন্ধু বলে উঠে। 

--দেখ মামা আমি কিন্তু নিশ্চিত তোদের প্রেম হয়ে যাবে। এখন আমাকে ট্রিট দে। ( বন্ধু )

কাব‍্য : এই সালা চুপ করবি তুই। 

--মামা আমি কিন্তু প্রেম বিশেষজ্ঞ! এই মুখ দিয়ে যাই বলেছি তাই হয়েছে। বেটা কলেজে কতো ছেলে আছে। তাদের কাছে না গিয়ে তোর কাছে এসেছে। তার মানে তোরে মেয়েটা একটু পছন্দ করছে। ( বন্ধু )

কাব‍্য : ভাই তুই কি এখন চুপ করবি। যদি চুপ না করিশ তবে আমি এখান থেকে চলে যাচ্ছি। 

--ঠিক আছে চুপ করছি? ( বন্ধু ) ( এই বন্ধু বন্ধু ভালো লাগতেছে না এর নাম দেই একটা। এর নাম হলো রাজ)

কাব‍্য : নাদির কি খবর রে। 

রাজ : নদির সাথে কাল দেখা হয়েছিলো। ও তোকে পছন্দ করে। 

কাব‍্য : কে নদি বলেছে তোকে! 

রাজ: হুম নদি বলেছে। ও ক্লাস রুমে আছে চল। 

কাব‍্য : আচ্ছা চল। 

--তো এর পরে রাজ ও কাব‍্য দুজনেই ক্লাস রুমে চলে আসে। কিন্তু এসেই দেখে যে নদি পরির সাথে বসে আছে। 

রাজ : ডাক দিবো কি নদি কে!

কাব‍্য : না এখন থাক। 

--তখন কাব‍্য লক্ষ করে নদি কি জেনো বলতেছে পরিকে আমার দিকে তাকিয়ে। 

নদি : এই পরি ওই দেখো ছেলেটা ওর নাম কব‍্য? 

--পরি চিনে ও না চেনার একটু ভান করলো?

নদি : ওই যে টিয়া ক্লার সার্ট পরে আছে ওর নাম। 

পরি : ওহ হুম এইবার দেখেছি। কিন্তু কি হয়েছে। 

নদি : ওকে আমি অনেক ভালোবাসি। ও আমাকে অনেক পছন্দ করে। 

--এই কথাটি শুনেই যেনো পরি থ হয়ে গেলো। মনে হচ্ছে আকাশ থেকে পরলো। 

পরি : কতো দিনের সম্পর্ক তোমাদের?

নদি : দুজন দুজন কে পছন্দ করি। কিন্তু এখনো বলিনাই। তবে আজ বলবো ভেবেছি। 

পরি : ওহ। 

নদি : অনেক সুন্দর না ছেলেটা। 

পরি : হুম অনেক সুন্দর । তোমার সাথে সেই মানাবে। 

নদি : শোন আজ ওকে আমি ভালোবাসার কথা বলবো সাথে তুমি থাকবে। 

পরি : আরে আমি কেনো থাকবো বলো। 

নদি : তখন আমি ভয় পাবো না। মনে একটা শক্তি থাকবে। 

পরি : না আমি পারবো না! 

নদি : আরে সমস্যা কি থাকলে হ‍্যা। আমি বলবো তুমি পাশে থাকবে। তুমি তো বলতেছো না। 

পরি : ঠিক আছে। 

নদি : সত্যি থাকবে আমার সাথে। 

পরি : হুম থাকবো। 

নদি : ধন্যবাদ তোমাকে । শোন টিপিন প্রিয়ডে বলবো এখন ক্লাস করি। 

--তো এর পরে সবাই ক্লাস করতে থাকে। 

--এই দিকে পরির মনে যেনো শান্তি নেই। ক্লাশে মন বসতেছে না। শুধুমাত্র কাব‍্যের কথাই মাথায় আসতেছে। তবুও মন খারাপ করেই ক্লাস করতে থাকে। 

--এই ভাবে দেখতে দেখতে টিপিন প্রিয়োড চলে আসে। 

নদি : এই পরি টিপিন প্রিয়ড হয়েছে চলো এখন বাহিরে যাই। 

পরি : হুম চলো। 

--এই বলে দুজনে বাহিরে চলে আসে। এসেই দেখে যে কব‍্য ও তার বন্ধু রা বাহিরে আড্ডা দিতেছে।

নদি : ওই দেখো কাব‍্য। ওর হাসিটা আমার কাছে এতো সুন্দর লাগে যে বলে শেষ করতে পারবো না। 

পরি : হুম অনেক সুন্দর । 

নদি : ওই তুমি আবার কাব‍্যের প্রেমে পরিও না। 

পরি : আরে না। কি যেনো বলবে ওনাকে। 

নদি : হুম ডাকতেছি। 

--এটা বলেই নদি রাজ কে ডাক দেয়। 

রাজ : হুম বলো নদি কি বলবা। 

নদি : এই দিকে কাব‍্যকে নিয়ে আসো।ওর সাথে আমার কিছু কথা আছে। 

রাজ : ঠিক আছে! 

--এর পরে রাজ কাব‍্যকে ডাক দিয়ে নদি ও পরির কাছে নিয়ে আসে। 

--কাব‍্য এসেই দেখে যে এখানে পরিও অবস্থিত। এখানে যে পরি আছে সেটা জানরে কাব‍্য কখনোই আসতো না। তো পরিকে দেখা মাত্রই কাব‍্য আবার পিছনে আসতে থাকে। 

--ঠিক সেই সময় নদি কাব‍্যের হাতটি ধরে ফেলে। 

নদি : এই কাব‍্য কোথায় যাচ্ছো। 

কাব‍্য : আমার কাজে আছে। কেনো ডাকছো সেটা বলো। 

নদি : কেনো ডাকছি তুমি মনে হয় জানো না।

কাব‍্য : জানি এই সম্পর্কে পরে কথা হবে। 

নদি : না এখনি কথা হবে। 

কাব‍্য : হুম বলো কি বলতে চাও। 

--কথাটি বলেই যখন পরির দিকে কাব‍্য তাকায়। ঠিক তখন দেখতে পায়যে পরির চোখে অশ্রু এই আসবে!

নদি : তোমাকে আমি অনেক অনেক অনেক ভালোবাসি কাব‍্য। তোমার বউ হতে চাই। নিবে আমাকে গ্রহন করে! 

কাব‍্য : মানে। 

নদি : আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমার যতো দিন নিশ্ষাস আছে তোমার সাথে এক হয়ে থাকতে চাই। 

--ঠিক সেই সময় পরি____ 


--আমি তোমাকে ভালোবাসি কাব‍্য? I love you💝

--এই কথাটি শুনেই পরি সেখানে মাথা ঘুড়ে পরে যায়। এটা দেখে কাব‍্য একটু আশ্চর্য হয়। কারন কী এমন হলো যে পরি মাথা ঘুরে পরে গেলো। 

নদি : এই পরি তোমার কি হলো। এই কথা বলো?

কাব‍্য : ও মাথা ঘুরে পরে গিয়েছে। একটু পানি নিয়ে আসো তুমি ! 

--তো কাব‍্যের কথা মতো নদি পানি আনার জন্যে চলে চায়। 

--ঠিক সেই সময় পরি চোখ খুলে উঠে বসে। এটা দেখে তো কাব‍্য পুরাই অবাক! 

কাব‍্য : এই আপনার না ঙ্গান ছিলো না! 

পরি : কে বললো আমার ঙ্গান ছিলো না হ‍্যা। 

কাব‍্য : আমি তো নিজেই দেখলাম। 

পরি : যা দেখছেন সব ভূল দেখছেন। 

কাব‍্য : তার মানে আপনি এতক্ষন সব নাটক করেছেন? 

পরি : হুম নাটক করেছি।  

কব‍্য : আপনি যঘন‍্য খারাপ! 

পরি : আমার স্বামী কে আমার সামনে অন‍্য কেউ প্রেম নিবেদন করবে আমি সেটা মেনে নিবো। 

কাব‍্য : এই এক দম চুপ। 

পরি : হুম চুপ করলাম! 

কাব‍্য : কলেজের কোন ছেলে মেয়ে যদি জানে। যে আপনি আমার বউ হন। তবে আপনাকে আমি নিজ হাতেই খু'ন করবো বলে দিলাম। 

পরি : তোমার মমটা এতো নিষ্টুর হ‍্যা। একটু ও ভালোবাসা বা বিশ্বাস নেই। 

কাব‍্য : সেটা আপনাকে বলতে হবে না। 

পরি : এমন সুন্দরী একটা বউ পেয়েছো। তবুও তার মূল‍্য দিচ্ছো না। এমন সময় আসবে আমাকে খুজবে কিন্তু পাবে না। 

কাব‍্য : আপনার মতো পতিতা"য়লের মেয়ে কে এই কাব‍্য খুজবে হাহহাহা। 

পরি : আচ্ছা একটা কথা বলি। 

কাব‍্য : আপনাকে কেউ না করেছে বলতে।

পরি : এতো ভালো তুমি যে পতি"তালয়ে খারাপ মেয়েদের দেহ খাইতে কেনো গিয়েছীলে। 

কাব‍্য : মানে। 

পরি : কেনো আমার কথা বুজা যায়না। তুমি এতো ভালো তো পতিতালয়ে কেনো গিয়েছিলে। কি এমন ছিলো ওই পতিতা"লয়ের মেয়েদের যা আমার নেই। 

কাব‍্য : ভালো লেগেছে তাই গিয়েছি। 

পরি : তো আমাকে ভালো লাগেনা।  

কাব‍্য : না! আর হ‍্যা আমি নদিকে অনেক ভালোবাসি। কোন ভাবে যদি নদি এই সব জানতে পারে। আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না। বলে দিলাম? 

পরি : ঠিক আছে। 

--এমন সময় নদি একটি জুশের বোতলে করে পানি নিয়ে আসে। 

নদি : আল্লাহ্ পরি দেখি ভালো হয়ে গিয়েছে। 

পরি : কি হয়েছিলো আমার! 

নদি : জানি না। হঠাৎ করেই তুমি মাথা ঘুড়ে পরে গিয়েছো। 

পরি : ওহ আচ্ছা ঠিক আছে তোমরা কাথা বলো আমি ক্লাস রুমে গেলাম।  

নদি : ঠিক আছে। 

--পরি ক্লাস রুমে যাবে এমন সময় কাব‍্যকে উদ্দেশ্যে করে একটি কথা বলে। 

পরি : ভাইয়া নদি কিন্তু আপনাকে খুব ভালোবাসে। কখনো কষ্ট দিয়েন না। 

--পরির কথাটি শুনে কাব‍্য চুপ হয়ে থাকে কোন কথা বলেনা।  

--এর পরে যখন পরি চলে যায়। সাথে সাথেই কাব‍্য ও নদিকে প্রপোজ করে। 

কাব‍্য : এই নদি তুমি কি আমার সেই জোসনা রাতে চাদ দেখার সঙ্গী হবে! তুমি কি আমার সেই স্বপ্নের দেখা দুষ্টু মিষ্টি বউ হবে। কথা দিলাম আমার এই রিদয়ে শুধুমাত্র তোমার নামটি লিখে রাখবো চির স্থায়ি ভাবে। 

--কাব‍্যের এমন প্রপোজ করার স্টাইল দেখে নদি ইমপ্রেস হয় যাত। তাতেই আবার নদি ও ভিষন পরিমানে কাব‍্য কে মন থেকে ভালোবাসে।

নদি : হুম প্রিয় আমি তোমার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা হতে চাই। রাখবে তোমার ওই বুকে আমাকে তোমার প্রিয়তমা করে। 

কাব‍্য : হুম প্রিয় আমি চাই তুমি আমার প্রিয়তমা হয়ে আমার পাশে চিরকাল থাকো। অনেক ভালোবাসি তোমার, i love you? 

নদি : l love you to আমার হবু জামাই। 

কাব‍্য : আর একটি কথা শুনো! 

নদি : একটি কথা কেনো হাজার টা কথা শুনতে আমি রাজি আছি। 

কাব‍্য : তুমি ওই মেয়েটির সাথে কথা বলবে না। 

নদি : কোন মেয়েটার সাথে। 

কাব‍্য : এখন যে মেয়েটা তোমার সাথে ছিলো। 

নদি : ও পরির কথা বলতেছো। কিন্ত পরি তো খুব ভালো মেয়ে। 

কাব‍্য : এতো কিছু জানতে চাইনা আমি। 

নদি : কারন টা বলবে প্লিজ। 

কাব‍্য : এতো কথা বলো কেনো বুজি না। যা বলছি তাই করবে তুমি । 

নদি : তোমার সব কথা শুনতে আমি রাজি আছি। 

কাব‍্য: সেটাই যদি কখনো ওর সাথে কথা বলো। তবে আমাকে হারাতে হবে। 

নদি : ঠিক আছে। কখনোই কথা বলবো না আর। তোমাকে কথা দিলাম। 

কাব‍্য : এই তো লক্ষি মেয়ে। 

নদি : জানো কাব‍্য তোমার জন্যে আমি পৃথিবীর সব কাজ করতে পাই। 

কাব‍্য : এই জন্যে তোমাকে আমার এতো ভালোলাগে। 

নদি : ঠিক আছে এখন ক্লাসে চলো।  

কাব‍্য : হুমম চলো। 

--এর পরে নদি ও কাব‍্য দুজনেই ক্লাস রুমে চলে আসে। কাব‍্য এসে ওর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে থাকে। এই দিকে নদি এসে পরির সাইডে বসে পরে। 

পরি : এই নদি কি হলো। কাব‍্য কি রাজি হয়েছে। 

নদি : নিশ্চুপ? 

পরি : এই বলো না কি হয়েছে। আমার শুনতে খুব ইচ্ছে করতেছে। 

আবার ও নদি নিশ্চুপ! 

পরি : বলো কি সমস্যা । এমন চুপ করে আছো কেনো। 

--এই বার নদি মুখ খুলে বলতে থাকে?

নদি : তুমি আমার সাথে আর কখনো কথা বলিও না। আমি তোমার সাথে কথা বলতে চাইন। 

পরি : কিন্তু কেনো। কি এমন করলাম যে কথা বলতে চাও না। 

নদি : জানি না। বলছি কথা বলবো না তো কথা বলবোই না। 

--কথাটি বলেই ব‍্যাগটা নিয়ে অন‍্য একটি ব্রেন্চে গিয়ে বসে পরে। 

পরি : আশ্চর্য বুজলাম না কি এমন করলাম তার জন্যে এমন করতেছো তুমি নদি। ( এই বার পরি মনে মনে ভাবতে থাকে। নিশ্চিত কাব‍্য কিছু একটা বলেছে। তার জন্যে নদি কথা বলতেছে না )

--তো কি আর করার পরি মন খারাপ করে বসে আছে। ঠিক এমন সময় কেউ একজন বলে উঠে। আজ আর ক্লাস হবে না। আজ ছুটি? 

--ছুটির কথাটি শুনার সাথে সাথেই নদি ও কাব‍্য দুজনেই হাত ধরে ক্লাস থেকে বেরিয়ে পরে। এটা দেখার পরে পরির বুকটা কেমন যেনো কম্পন দিয়ে উঠতেছে। কারন নিজের স্বামী যখন অন্য একটি মেয়ে কে ভালোবেসে হাত ধরে ঘুরে বেরায়। তখন কষ্ট হবে এটাই স্বাভাবিক। 

--তো কলেজ শেষে পরি সোজা বাসায় চলে আসে। কোন রকমে। কারন পরি এ রাস্তা ভালো করে চিনে না। তাই আসতে একটু কষ্ট হয়েছে। 

--
চলবে.....

অপরূপা পর্ব--২ সাহিত্য ডাইরি

অপরূপা

পর্ব--২

সাহিত্য ডাইরি 



হো'টে'লে ব‍্যবসা করে এই মেয়ে! ও কেমন করে আমার বউ হতে পারে মা? (কাব‍্য)


মা: এই বেয়াদব কি বলিশ তুই এই সব হ‍্যা। 


কাব‍্য: মা বিশ্বাস করো আমি এই মেয়ে কে হো'টেলে দেখেছি। ও দেহ ব‍্যবসা করে!


মা : তার মানে তুই এই সব কাজে লিপ্ত কাব‍্য? 


কাব‍্য : আমি আবার কিসে লিপ্ত হলাম। বুজলাম না তোমার কথাটি? 


মা : তুই কেমন জানিস পরি হো'টেলে ব‍্যবস‍া করে হ‍্যা। 


কাব‍্য : আসলে হয়েছে কি মা...?


--কথাটি শেষ হতে না হতেই পরি বলে উঠে?


পরি : মা আপনার ছেলে আমাকে এই ভাবে মিথ্যা অপোবাদ দিচ্ছে। এটা কিন্তু আমি মানতে পারবো না!


কাব‍্য : এই মেয়ে এক দমেই নাকট করবি না। তোর সাথে আজকেই আমি....?


মা : এই আজকেই কি হ‍্যা। 


পরি : আপনার ছেলে যে এমন বিয়ের আগে কেনো বলেন নাই। আমি বাবাকে ফোন দিতেছি । বাবা এসে আমাকে নিয়ে যাবে। 


মা : না মা ফোন করা লাগবে না। আমার মনে হয় কি জানত কব‍্য তোমার সাথে মজা করতেছে। 


কাব‍্য : মা আমি সত্যি মজা করতেছ না। আমি সিরিয়াস এই মেয়ে খারাপ কাজে নিয়জিত আছে। 


মা : ঠাসসস! ঠাসসস! ঠাসসস! আর একটি যদি বাজে কথা বলিশ আমার থেকে খারাপ কেউ হবে। 


--এটা বলেই কাব‍্যের মা রুমের বাহিরে এসে। দরজা লক করে দেয়!


কাব‍্য : এই মেয়ে তোমার সত্যি পরিচয় টা দাও। 


পরি : আশ্চর্য আমি আবার কিসের পরিচয় দিবো হ‍্যা। আমার পরিচয় হলো আমি পরি। আর এখন আপনার বউ। 


কাব‍্য : না আমি এটা মানতে পারবো না। তুই আমার বউ হতে পারিশ না। 


পরি : আপনি কি আমার সাথে মজা করেন। 


কাব‍্য : মজা করবো কেনো হ‍্যা। সব ভূলে গেলি আমার সাথে যে হো"টেলে শারী-রিক সম্পর্ক করে 3 হাজার টাকা নিলি। 


পরি : আপনি যদি আর একটি বাজে কথা বলেন তো খুব খারাপ হবে। 


কাব‍্য : তোর মতো খারাপ মেয়ের সাথে আমি থাকতে পারবো না। আমি তকে ডিভোর্স দিবো। 


--কথাটি বলার সাথে সাথেই পরি ঠাস করে একটি থাপ্পড় দেয় কাব‍্য কে। 


পরি : ঠাসসস! তোর অনেক কথা শুনেছি আর শুনতে চাই না। তুই কি ডিভোর্স দিবি আমি তোকে ডিভোর্স দিব। তোর মতো খারাপ ছেলের সাথে আমি থাকতে চাইনা। 


কাব‍্য : আমি খারাপ না তুই খারাপ সেটা ভালো নিজেই তুই জানিস। 


পরি : যে ছেলে দেহের চা'হিদা মেটানোর জন্যে হো"টেলে গিয়ে তৃপ্তি মিঠিয়ে আসে। তার ব‍্যবহার কেমন হবে সেটা আমার জানা আছে। 


কাব‍্য : আমি ভাবতে পরলাম তোর মতো মেয়ে কে আমার মা বাব কেমন করে পছন্দ করলো। 


পরি : এটা তোর সৌভাগ্য যে আমি তোকে বিয়ে করছি। যদি জানতাম তোর চরিত্র এমন আমি কখনোই বিয়ে করতাম না। 


কাব‍্য : আমি তোর সাথে কোন কথা বলতে চাইনা। চুপ করে থাক আমি এখন ঘুম যাবো। 


--এটা বলেই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পরে, সাথে সাথে পরিও গিয়ে তার পাশেই শুয়ে পরে। 


কাব‍্য : এ মেয়ে তুই কি চাস হ‍্যা। তোর দেখি লজ্জা সরম বলতে কিছু নেই। 


পরি : লজ্জা নেই মানে। 


কাব‍্য : লজ্জা থাকলে কি আমার পাশে এসে শুইতি। লজ্জা নেই বলেই তো পশে শুইছিস। 


--কথাটি শুনা মাত্রই পরি বিছানা থেকে উঠে পরে। আর সোপায় গিয়ে শুয়ে পরে। 


--কাব‍্যের কতো স্বপ্ন ছিলো বাসর রাত নিয়ে। এক সাথে রাতে চাদ দেখবে। দুজনে দুজনের চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবে। সব যেনো ভেশে গেলো পানিতে। 


পরি : এই যে একটি কথা বলি। 


কাব‍্য : হুমম কি কথা। 


পরি : আপনি কি সত্যি সত্যি এই সব করতেছেন নাকে আমার সাথে প্রাঙ্ক করতেছেন। 


কাব‍্য : আমাকে দেখে কি মনে হচ্ছে প্রঙ্ক করতেছি আমি। 


পরি : ওহ ঠিক আছে। 


--আবার কাব‍্যের মনে পরে । তার বন্ধু হাসিব কথা। কারন এই হাসিবেই বলেছিলো এই হো"টেলে এই মেয়েটা সেই সুন্দর আর অনক ভালো দেয়। ওর কথা মতোই গিয়েছিলো মেয়েটার সাথে পর"কিয়া করতে। এখন সেই মেয়ে যে নিজের বউ হবে ভাবতে পারেনি। 


--আবার যদি হাসিব দেখে যে হোটে"লে ব‍্যবসা করা মেয়েটা আমার বউ তবে তো সব কিছু শেষ। এলাকায় মুখ দেখাতে পারবো না। 


--এই সব হাজারো চিন্তা করতে করতে কাব‍্য ঘুমিয়ে পরে সেই রাতে। 


--তো পরের দিন সকাল বেলায় পরি উঠে গোসল করে কাব‍্যের জন্যে চা নিয়ে আসে। কিন্তু এসে দেখে কাব‍্য এখনো ঘুমিয়ে আছে। 


--কাব‍্যকে একটু জালানোর জন্যে পরি নিজের ভেজা চুল গুলো ওর মুখের উপর দিয়ে একটু নারাতে থাকে। 


--ঠিক একটু পরেই কাব‍্য জেগে যা? ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে কাব‍্য বলতে থাকে। 


কাব‍্য : এইইইই কি হচ্ছে।


পরি : কোই কিছু নাতো?


কাব‍্য : এক দম আমার কাছে আসার চেষ্টা করবি না বলে দিলাম কিন্তু । 


পরি : আমার বয়েই গেছে আপনার কাছে আসতে। 


কাব‍্য : যতো সব খারাপ মেয়ে? 


পরি : হুম খারপেই। এখন নেন চা খেয়ে নেন। নিজের হাতে বানিয়ে নিয়ে এসেছি। 


কাব‍্য : হহাহ হা আমি চা খাবো সেটা আবার তর হাতের.? প্রশ্নই আসে না। 


পরি : ঠিক আছে না খাইলে তো জোর করতে পারি না। আপনার ইচ্ছে হলে খাবেন আর না হলে খাবেন না।  


কাব‍্য : এতো কথা আমি পছন্দ করিন। 


পরি : আপনি না করতে পারেন আমি পছন্দ করি। 


কাব‍্য : এক দম ভালোবাসা দেখাইতে আসবি না। তোর ও ভালোবাসা কতো মানুষ যে পাইছে তার ঠিক নেই। 


পরি : কাল রাত থেকে এক কথা বলেই যাচ্ছেন। আপনাকে বরিনাই আমি ওই সব কাজ করিনা। কাকে না কাকে দেখছেন আর আমাকে মিথ্যা অপোবাদ দিচ্ছেন। 


কাব‍্য : বা নাটক ও দেখি সুন্দর করতে পারিস। তুই ত নাইকা হবি। 


-ঠিক এমন সময় ডাক পরে বাহির থেকে? 


--কব‍্য পরি খাইতে আয় দুজনে বাহিরে। ( মা ) 


কাব‍্য : ঠিক আছে মা যাচ্ছি খাইতে। 


--এটা বলেই কাব‍্য ফ্রেশ হয়ে নেয়। আর একটু পরে দুজনে বাহিরে আসে। 


--এসেই দেখে যে........


--দেখা মাত্রই কাব‍্য দৌরে রুমে চলে আসে.... 


--এই পতিতা মেয়েকেই বিয়ে করলি শেষ পযর্ন্ত কাব‍্য!


--কাথাটি শুনেই কাব‍্য নিজের রুমের দিকে দৌর দেয়। এই লজ্জা থেকে বাছার জন্যে?


--সবাই ভাবতেছেন কে এই কথাটি বললো। সেটা আর কেউ না কাব‍্যের বন্ধু হাসিব।


--কোন এক ভাবে হাসিব ও জানতে পেরেছে যে কাব‍্য বিয়ে করেছে। তাই সকাল বেলা উঠেই কাব‍্যের বাসায় চলে আসে। যখনি কাব‍্য ও পরি বাহিরে আসে। ঠিক সেই টাইমেই হাসিব দেখে ফেলে পরিকে। আর দেখা মাত্রই মুখ ফসকিয়ে ওই কথাটি বের হয়ে যায়। 


--এই দিকে কাব‍্যের মায়ের মাথায় যেনো বর্জ পরার মতো অবস্থা। কারন কাল রাতে কাব‍্য এই কথাটি বলেছ। আজ আবার হাসিব ও পরিকে দেখা মাত্রই এই কথাটি বলে উঠে। 


--তো নিজের মান সন্মানের দিকে তাকিয়ে কাব‍্যের মা বলে উঠে? 


--এই হাসিব তুমি কি বলতেছো তোমার মাথা ঠিক আছে। আর যদি কখনো এমন কথা শুনি তো তোমার সাথে কাব‍্যের মেলা মেশা বন্ধ করে দিবো।( কাব‍্যের মা)


হাসিব : আন্টি বিশ্বাস করুন এই মেয়েটিকে আমি সত্যি পতিতালয়ে দেখেছি। 


--এক দম চুপ করো। তোমার মুখে আর একটি কথা ও শুনতে চাইনা আমি! ( কাব‍্যের মা )


হাসিব : সত্যি কখনো লুকানো যায়না বুজলেন। সত্যি টা সত্যি থাকে। 


--তুমি কি বলতে চাও হ‍্যা। সরা সরি বলো? 


হাসিব : আমি একটি কথাই বলতে চাই। আপনি একটি খারাপ মেয়ের সাথে আপনার সন্তানের বিয়ে দিয়েছেন। তাতেই আবার বয়সে ও বড়? আপনি মা হয়ে এমন একটি মেয়ের সাথে কাব‍্যের বিয়ে দিলেন ভাবতেই পারলাম না! 


--ঠাসসসস! ঠাসসস! ঠাসসস! বেয়াদব ছেলে কোথাকার! লজ্জা করেনা একটি মেয়ের নামে এমন বদনাম লটানোর। আমি তো ভাবতেই পারছি না তুমি এতোটা খারাপ? ( কাব‍্যের মা ) 


হাসিব : আপনি আমাকে থাপ্পড় মারলেন আন্টি। এটা এক দমি ঠিক করেন নাই। 


--কেনো তুমি কি আমাকে থাপ্পড় দিবে নাকি। 

( কব‍্যের মা)


হাসিব : আমাকে আপনি থাপ্পড় না মারলে ও পারতেন। এই থাপ্পড়ের প্রতিশোধ আমি থাপ্পড় দিয়ে নিবো না। সময় হোক ঠিকেই বুজবেন। 


--যাও বেরিয়ে যাও আমার বাসা থেকে। তোমার মতো ছেলের সাথে মেলা মেশার জন্যে আমার সন্তান টি এমন হয়েছে। ( কাব‍্যের মা ) 


হাসিব : হুম যাচ্ছি তবে মনে রাখবেন। আপনাকে অনেক পস্তাতে হবে। আর হ‍্যা আপনার এই যে বউ মা আছে না। ওর সাথে আমার অনেক কাহিনি আছে। আপনার ছেলের মুখে শুনিনেন! 


--এই তুমি কি যাবে এখন। নাকি দারোয়ান ডেকে বের করে দিবো। ( কাব‍্যের মা ) 


হাসিব : তার দরকার নেই! আমি চলে যাচ্ছি? 


--এটা বলেই হাসিব একবার পরির দিকে তাকিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যায়?  


--পরি তুমি আমার সাথে রুমে আসো তো। কথা আছে অনেক! ( কাব‍্যের মা ) 


পরি : হুম মা চলুন। ( কান্না ভেজা চোখে ) 


--সবাই ভাবতে পারেন কান ভেজা চোখে কেনো। কারনটা হচ্ছে এতো সব মিথ্যা বানোয়াট কথা শুনলে যে কারোর চোখে পানি চলে আসবে। তাতেই আবার নতুন বউ সব মাত্র কাল এসেছে। তাতেই এতো বদনাম। 


--তো এর পরে শাশুড়ি মায়ের কথা মতো পরি পিছে পিছে তার সাথে রুমে চলে আসে। 


পরি : মা বলুন কি বলবেন! 


--তুমি কি সত্যি ওই সব কারাপ কাজে লিপ্ত আছো পরি। যা সত্যি তাই বলবে? ( কাব‍্যের মা ) 


পরি : মা বিশ্বাস করুন আমি এই সব কাজে লিপ্ত কথা তো দুরের কথা মুখেই কখনো আনিনাই। 


--তাহলে কাল রাতে কাব‍্য আজ ওর বন্ধু হাসিব এই সব কথা বললো কেনো বুজলাম না ( কাব‍্যের মা )


পরি : সেটাই তো আমি ও বুজতেছি না মা। ওরা কেনো আমাকে এই সব দোশারপ করতেছে। আর আমি তো এমন মেয়ে না? 


--লুকাচ্ছো না তো আবার কেনো কথা। যদি লুকিয়ে থাকো সত্যি টা বলো। কোন সমস্যা হবে না। আমি দেখবো কি করা যেতে পারে। ( কাব‍্যের মা )


পরি : আশ্চর্য আমি মিথ্যা বলবো কেনো। যদি আপনার বিশ্বাস না হয় তবে আমার সম্পর্কে খোজ নিয়ে দেখতে পারেন। আমি কেমন মেয়ে। 


--ওহ! কিন্তু আমি ও বুঝতেছি না। ওরা দুজনে কি প্লান করে এমন করতেছে নাকি অন্য কিছু। কাব‍্য তো আমাকে কখনো মিথ্যা বলে না। আমার মনে হয় কি জানো পরি। ওরা তোমার মতো কাউকে দেখেছে। তাই তোমাকে নিয়ে এমন মন্তব্য করতেছে? ( কাব‍্যের মা ) 


পরি : হয়তো হতে পারে? কিন্ত এখন আমি কি করবো। আপনার ছেলে তো আমার সাথে কথাই বলতেছে না। যদি ও বা কাছে যাই তবে কতো কথা বলতেছে। এর চেয়ে আপনি আমার বাবা কে বলিয়ে আমাদের আলাদা করে দিন। 


--এ মেয়ে তুমি কি পাগল হয়ে গেছো নাকি? কাল বিয়ে হলো আজকেই ডিভোর্স এ দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছো। আমি কি তোমাকে এখনো কোন খারাপ মন্তব্য করেছি নাকি? যে তুমি ছারা ছারির কথা মুখ আনতেছো। আর কখনো এমন কথা বলবে না ( কাব‍্যের মা ) 


পরি : তো আমি কি আর করবো বলেন? যেখানে আপনার সন্তান আমি স্বামী হয়। ও নিজেই কথা বলে না। সেখানে কেমন করে থাকবো। 


--চিন্তা করিও না। আমি সব কিছু ঠিক করে দিবো একটু ধৈর্য ধারন করো প্লিজ! ( কাব‍্যর মা )


পরি : জোর করে ভালোবাসা হয়না মা! আমি জোর করে আপনার সন্তানের ভালোবাসা চাইনা? 


--আরে এমন কিছু না! ওর মনে হয়তো বতর্মান অনেক প্রশ্ন তাই তোমাকে মেনে নিতে পাচ্ছে না? ( কাব‍্যের মা )


পরি : আমি জানি না মা? 


--আচ্ছা একটি কথা বলি শোন? কাব‍্য যেই কলেজে পরে তোমাকে ও সেই কলেজে ভর্তি করে দেই। এতে করে তোমার সব সময় এক সঙ্গে থাকতে পারবে। তখন দেখবা ও তোমার প্রতি আকৃষ্ট হবে ( কাব‍্যের মা) 


পরি : ঠিক আছে মা আপনি যা মনে করেন।  


--আচ্ছা তুমি রুমে যাও এখন। তোমার সাথে পরে কথা বলবো? ( কাব‍্যের মা ) 


--তো এর পরে পরি সোজা রুমে চলে আসে। এসেই দেখে যে কাব‍্য মন খারাপ করে বসে আছে। কাব‍্যের মন ভালো করার জন্যে পরি বলে উঠে?


পরি : আপনি চিন্তা করবেন না। আমাদের ডিভোর্স হবে। 


--কথাটি শুনেই কাব‍্য বলে উঠে? 


কাব‍্য : কবে ডিভোর্স হবে আমাদের আজকে! 


পরি : আসলে বিয়ের ৩ মাস আগে ত ডিভোর্স হয়না। তাই আমাদের ৩ মাস এক সাথে থাকতে হবে। 


কব‍্য : ওহ! 


পরি : আমি কাল থেকে আপনার কলেজে যাবো। 


কাব‍্য : What!! 


পরি : হুম। আমি ও পরাশুনা করতে চাই। আপনার সাথে তো থাকবো না তাই ভেবেছি পরাশুনা চালিয়ে যাবো। 


কাব‍্য : কিন্তু আমার কলেজে কেনো! আরো অনেক কলেজ তো আছে? 


পরি : শুনেছি আপনি যেই কলেজে পরেন ওটাই নাকি এখানকার মধ্যে বেষ্ট কলেজ? 


কাব‍্য : ভালো খুব ভালো ! আর হ‍্যা তুই যে হো"টেলে খারাপ কাজ করিশ তার প্রমান আজ দিবো আমি। 


পরি : ঠিক আছে! 


--এটা বলেই কাব‍্য সোজা সেই পতিতালয়ে আসার জন্যে রহনা দেয়। প্রায় ১ ঘন্টা পরে গন্তব্য স্থানে আসে।


--তো এসেই সোজা ওই মেয়েটার রুমে যায়। যে মেয়েটার সাথে এখানে এসে শারী-রিক সম্পর্ক করেছে। 


--ভিতরে ডুকেই দেখে যে অন্য একটি মেয়ে শুয়ে আছে। এই রুমে। আশ্চর্য ওই মেয়েটা কোথায় ? 


কাব‍্য : আচ্ছা এ রুমে যে ছিলো কালকে সে কোথায়? 


--কেনো আমি কে তার চেয়ে দেখতে খারাপ নাকি। আমাকে পছন্দ হয়না! 


কাব‍্য : প্লিজ বলো সে কোথায়। 


--আসো আমি ও ওর মতোই ত‍ৃপ্তি দিবো বাবু তোকে? 


কাব‍্য : দয়া করে বলো ও কোথায়?


--বলতে পারি এর জন্যে 200 টাকা দিতে হবে আমাকে ? 


--কথাটি শুনার সাথে সাথেই কাব‍্য টাকাটি বের করে দেয়। 


কাব‍্য : এখন বলো? 


--আসলে ওর কালকে,,,,,?????



--কাল রাতে বিয়ে হয়ে গেছে রূপসির! তাই আমি ওর রুমে এসেছি এখন?


কাব‍্য: কি ওর বিয়ে হয়েছে মানে।


--আসলে ও দেখতে অনেক সুন্দর ব‍্যবহার ও সুন্দর, কাল একটা আপনার মতো খদ্দের এসেছিলো।


কাব‍্য : তার পরে!


--তার পরে আবার কি। রূপসি ওকে মন ভরে ভালোবাসা দিয়েছে। এতে লোকটি খুশি হয়ে আর ওর রূপ দেখে নিয়ে গিয়েছে। বলেছে বিয়ে করবে। 


কাব‍্য : এই সব সত্যি নাকি মিথ্যা । আর ওর নাম রূপসি।


--হুমম আসেব। 


কাব‍্য : তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । 


--সাহেব আসেন। আমি আজ আপনাকে খুশি করাতে চাই। বেশি টাকা নিবো না। খুশি হয়ে যা দিবেন। 


কাব‍্য : সরি!


--এটা বলেই কাব‍্য সেখানে থেকে আবার বাসায় আসার জন্যে রহনা দেয়।  


--পুরা রাস্তায় কাব‍্যের মাথায় একটাই চিন্তা সেটা হলো! এই পরি কে নিয়ে। পরি কি সত্যি কথা বলতেছে নাকি মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছে। এই সব চিন্তা করতে করতে কাব‍্য বাসায় চলে আসে। 


--এই তুই কোথায় গিয়েছিলি হ‍্যা। ( মা )


কাব‍্য : কোথাও না। কেনো কি হয়েছে?


মা : পরিকে নিয়ে ঘুরতে যা ওর মনটা ভিষন খারাপ।


কাব‍্য : খারাপ তো আমি কি করবো শুনি। আমি মন ভালো করার ওষুধ নাকি। 


মা : আমি যেটা বলছি সেটাই কর। 


কাব‍্য : আমি পারবো না। ওই খারাপ মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে। 


মা : ও খারাপ না খারাপ হলি তুই। যদি খারাপ যায়গাই না যাইতি এই সব মিথ্যা বানোয়াট কথা কখনো বলতে পারতি না। 


কাব‍্য : কি আমি খারাপ! 


মা : হ‍্যা তুই খারাপ। তোর মতো সন্তান আল্লাহ্ যে কেনো আমাকে দিচে।


কাব‍্য : ছোট্ট থাকায় মে-রে ফেলতে পারোনাই? তাহলে আজ এমন কিছু হতো না। 


মা : সেটাই তো ভূল করেছি।


--এই ভাবে মায়ের সাথে ঝগড়া করে কাব‍্য নিজের রুমে চলে আসে। 


পরি : আমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরতে যেতে হবে না। আমার জন্যে আপনি অনেক ছোট হয়েছেন। আমি আজ চলে যাবো বাবার বাসায়। 


কাব‍্য : নিশ্চুপ? 


পরি : আজ একটি কথা বলি। শুনেন আপনি যে মেটাকে আমাকে মনে করতেচেন সেই মেয়েটা সত্যি আমি না। 


কাব‍্য : না তুমি সেই মেয়ে। আমি নিজের চোখে তোমাকে দেখেছি পতিতা'লয়ে?


পরি : ওহ। আচ্ছা ভালো থাকেন আমি গেলাম। 


--এটা বলেই যখন পরি জাইতে ধরবে ঠিক তখনি কাব‍্য পিছন থেকে হাতটি টেনে ধরে। কাব‍্য পরির হাতটা ধরার সাথে সাথেই পরির শরীর টা যেনো কম্পন দিয়ে উঠলো। 


পরি : কি হলো হাত ধরলেন যে! 


কাব‍্য : আপনি এখানেই থাকেন। মা এমনি অনেক মন খারাপ করে আছে। আপনি চলে গেলে আরো মন খারাপ করবে। 


পরি : কিন্তু আপনার যে সমস্যা হচ্ছে এখানে। 


কাব‍্য : হোক আমি ম‍্যানেজ করে নিবো। 


পরি : ঠিক আছে। 


--তো এই ভেবেই কেটে যায় ১টি মাস। কাব‍্য পরির সাথে কথা বলে না। পরি নিজেই এসে বলে।তখন উত্তর টা শুধুমাত্র দেয়। সকাল বেলা কাব‍্য ঘুম থেকে উঠে খাওয়া দাওয়া করে যখনি কলেজ বের হবে এমন সময় ওর মা চলে আসে।


--কাব‍্য দারাও। আজ পরি ও কলেজে যাবে? (মা )


কাব‍্য : মা মাথা গরম করিও না তো। আজ এক মাস পরে কলেজে যাচ্ছি এমনি মোনটা খারাপ। 


মা : পরি কলেজে ভর্তি হয়েছে। 


কাব‍্য : ও আবার কবে ভর্তি হলো বুজলাম না। 


মা : আমি কাল তোর স‍্যারের সাথে কথা বলেছি। ওকে ও ভর্তি করে নিয়েছে।


কাব‍্য : তো এখন আমি কি করবো। 


মা : কি আর করবি তর বউকে তুই কলেজে নিয়ে যাবি। 


কাব‍্য : ও কলেজ দেখেনি। 


মা : না ও কলেজ দেখেনি। আজ দেখিয়ে দে তার পরে একাই একাই যাবে। 


কাব‍্য : ঠিক আছে। 


--এই পরি তারা তারি আয়। কাব‍্য তোর জন্যে ওয়েট করতেছে। 


পরি : হুম মা আর এক মিনিট আমি রেডি হয়েছি। 


মা : শোন পরিকে দেখে শুনে রাখিস। 


কাব‍্য : ও কি ফিটারে দু'দু খায় যে দেখে শুনে রাখতে হবে। 


--কথাটি বলা মাত্রই পরি চলে আসে। 


পরি : মা আমি রেডি? 


--কথাটি শুনেই কাব‍্য পরির দিকে তাকিয়েই আর চোখ ফেলাতে পারে না। এটা তো সত্যিকারের পরি মনে হচ্ছে। 


পরি : এই আপনি এমন করে তাকিয়ে আছেন কেনো হ‍্যা। আমাকে কখনো দেখেন নাই। 


--কথাটি শুনেই কাব‍্য লজ্জা পায়। কারন সেখানে মা ও ছিলো তাই। 


কাব‍্য : হয়েছে আমার ত আর কাজ নেই। 


--এর পরে দুজনে বাসা থেকে বাহিরে এসে একটি রিশকার অপেক্ষা করতেছে। ঠিক ২ মিনিট পরে একটি রিশকা এসে পরে। 


কাব‍্য : ওই মামা রিশকা নিয়ে যাবেন রংপুর সরকারি কলেজ। 


--অবশ‍্যই যামু মামা উঠে বসুন মামি সহো। 


--এর পরে কাব‍্য ও পরি দুজনে উঠে বসে রিশকায়। বেশ কিছু দুর যাওয়ার পরেই। দেখা হয়ে যায় সেই হাসিবের সাথে। 


পরি : আপনি এই ছেলের সাথে কথা বলবেন না। 


কাব‍্য : কেনো। 


পরি : এই ছেলে আপনার মাকে সেই দিন অপোমান করেছে। 


--কথাটি শুনে কাব‍্য একটু অবাক হয়। আর ভাবতে থাকে কি করবে। শেষ মেষ চিন্তা করে কথা বলবে না। 

কারন যে আমার মাকে অপোমান করেছে তার সাথে আবার কিসের কথা। 


--যখনি রিশকাটি হাসিবের সামন দিয়ে যাচ্ছিলো ঠিক সেই সময় হাসিব বলে উঠে!


হাসিব : কি মামা বউ নিয়ে ব‍্যবসায় যাচ্ছিস নাকি। 


কাব‍্য : নিশ্চুপ! 


হাসিব : আমাদের ও দিস আমরা ওটাকা দিবো। সমস্যা নেই। 


কাব‍্য : তোর কাছে এই সব আশা করিনাই হাসিব?


হাসিব : হাহা হাহা বিয়ে তো করেছিস একটা হোটে"লের ব‍্য"শা কে যেমন ভাব নিচ্ছিস মনে হচ্ছে পরিমনি কে বিয়ে করেছিস। 


--এই কথাটি শুনেই কাব‍্য রিশকা থেকে নেমে হাসিবের কলাট ধরে। 


কাব‍্য : আর একটি কথা যদি বলিশ। তোর ওই মুখটা মেখের জায়গাই থাকবে না। 


--বলেই একটা ধাক্কা দেয় হাসিব কে?


পরি : এই আপনি উঠে পরুন কলেজে দেরি হচ্ছে। এই সব রাস্তার ছেলেদের সাথে কথা না বলাই ভালো।


--ত পরির কথা মতো কাব‍্য আবার রিশকায় উঠে পরে। আর রিশকা ওয়ালা মামা চালাইতে থেকে। একটু দেরে যাইতেই হাসিব চিৎকার দিয়ে বলে উঠে। 


হাসিব : তুই যে একটা পতিতা"লয়ের মেয়েকে বিয়ে করেছিস সেটা আমি ভাইরাল করবো ওয়েট কর। 


--সেই দিকে কাব‍্য আর কান না দিয়ে মন খারাপ করে বসে থাকে। বেশ কিছুক্ষন পরে যখনি কলেজের সামনে রিশকাটি যাবে আর সেই সময় কাব‍্য বলে উঠে। 


কাব‍্য : মামা এখানেই দারাও। 


পরি : কলেজ তো আরো একটু দুরে দেখা যাচ্ছে। এখানে থামাবে কেনো। 


--কাব‍্য রিশকা থেকে নেমে রিশকা ওয়ালাকে টাকা বুজিয়ে দেয়?


কাব‍্য : মামা একে কলেজের সামনে গিয়ে নামাই দিও। 


পরি : এ আপনি কোথায় যাবেন হ‍্যা। 


কাব‍্য : এই এতো প‍্যাচাল পারবি না। তোর কারনে আমার সব মান সন্মান শেষ। আমি চাইনা তুই কলেজে আমার মান সন্মান শেষ কর। কলেজে কেউ যেনো না জানে তুই আমার বউ। 


--কথাটি শুনেই পরির মোনটা খারাপ হয়ে যায়। 


কাব‍্য : কিরে কথা বুজেছিস। 


পরি : ঠিক আছে আমি কাউকে কখনো বলবো না। আমরা দুজনে স্বামী স্রী। 


কাব‍্য : মনে থাকে যেনো। যদি বলিশ খুব খারপ হবে বলে দিলাম। এই মামা নিয়ে যাও ওকে। 


--এর পরে রিশকা ওয়ালা মামা পরিকে কলেজের সামনে এসে নামাই দেয়। যখনি পরি কলেজে ডুকে সবেই এক দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। 


--ঠিক একটু পরে কাব‍্য ও কলেজে ডুকে। আর সাথে সাথেই দেখতে থাকে পরিকে সবাই ফলো করতেছে। 


--একটু দুরে যেতেনা যেতেই কাব‍্যের একটি বন্ধু বলে উঠে কাব‍্য কে।


--কাব‍্য ওই দেখে সেই একটা মা""""ল আমাদের কলেজে এসেছে। উফফ কি সুন্দর দেখতে। 


--এই কথা শুনে কাব‍্য কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না। 


--ঠিক সেই সময় পরির দিকে তাকাতেই দেখতে পায়যে.......


"" পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন এই পযর্ন্ত কেমন হয়েছে কমেন্ট করুন? 


💝 আল্লাহ্ সর্ব শক্তিশালী 💝